বন্ধ হয়ে যেতে পারে সাধের “খাদ্যসাথী প্রকল্প”

ভারত সরকারের শর্ত না মেনে হেরা-ফেরি চালিয়ে গেলে এবার চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সাধের “খাদ্যসাথী প্রকল্প” ! কেন্দ্রের শর্ত অনুযায়ী, এই মাসের মধ্যেই বাংলার প্রায় ২০০০০ রেশন দোকানে বাধ্যতামূলক ভাবে বসাতেই হবে “পজ-মেশিন”। অন্যথায় বন্ধ হয়ে যাবে খাদ্য সুরক্ষা যোজনায় প্রাপ্ত ভর্তুকি।

এই মুহূর্তে রাজ্যের প্রায় ৮ কোটি মানুষ খাদ্য সুরক্ষা যোজনায় ২ টাকা কেজি দরে চাল পেয়ে থাকেন। বর্তমানে ২ টাকা কেজির চালে ভারত সরকারের ভর্তুকির পরিমান কেজি পিছু ২১ টাকা। অন্যদিকে রাজ্য সরকার দেয় মাত্র ১ টাকা ! একথা বলাই বাহুল্য যে, ২ টাকা কেজির চাল বিতরণ যদি বন্ধ যায় তাহলে, চরম বিপাকে পড়বে রাজ্য সরকার। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী ঘটা করে সব জায়গায় বলে বেড়ান যে, এই ২ টাকা কেজির চাল রাজ্যবাসীকে দেয় তৃণমূল সরকার এবং ভারত সরকার এখানে কোন ভূমিকা নেই।

এখন জেনে নেওয়া যাক, রেশন দোকানগুলিতে কেন বসছে এই “পজ-মেশিন” ? কি এর কার্যকারিতা ? আসলে এই সিস্টেমকে বলা হয়, এন্ড টু এন্ড সিস্টেম। ব্যাপারটি এই রকম, কোন রেশন দোকানে, কোন একজন গ্রাহক কতটা চাল অথবা গম কিনলেন সেটির তথ্য তৎক্ষণাৎ চলে যাবে দিল্লির সেন্ট্রাল সার্ভার এ। এই ব্যবস্থায় আটকানো যাবে অজস্র ভুয়া গ্রাহককে, বাঁচানো যাবে সরকারি টাকার অপব্যবহার।

Related posts

Leave a Reply